মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ফাতহ শরীফ উনার ৯ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
انا ارسلناك شاهدا
অর্থ: “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) ‘নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সাক্ষ্যদানকারী হিসেবে প্রেরণ করেছি।”
জানা আবশ্যক যিনি সাক্ষ্য দিবেন উনার জন্য যেরূপ হাযির বা উপস্থিত থাকা শর্ত, তদ্রুপ নাযির বা দেখাও শর্ত। কাজেই, বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট কুল-মাখলুক্বাতের সবকিছুই হাযির ও নাযির।
এটিই হচ্ছে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদা। এর বিপরীত আক্বীদা পোষণকারীরা ৭২টি বাতিল ও জাহান্নামী ফিরক্বার অন্তর্ভুক্ত।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, انما انا قاسم والله يعطى অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি হাদিয়া মুবারক করেন, আর নিশ্চয়ই আমি হলাম (উক্ত হাদিয়া মুবারক) বণ্টনকারী।” সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ) উল্লেখ্য, যিনি কুল মাখলুক্বাতের মাঝে নিয়ামত বণ্টনকারী; তিনি যদি কুল-মাখলুকাতের কাছে হাযির বা উপস্থিত না থাকেন এবং নাযির বা না দেখে থাকেন, তাহলে তিনি তাদের মাঝে কিভাবে নিয়ামত বণ্টন করবেন? কাজেই কায়িনাতের সমস্ত সৃষ্টির মাঝে তিনি যেহেতু নিয়ামত বণ্টনকারী, সেহেতু বলার অপেক্ষা রাখে না- সবকিছুই উনার নিকট হাযির ও নাযির। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এই পৃথিবীকে আমার চোখের সামনে এরূপভাবে রেখেছেন যে, আমি এ সমগ্র পৃথিবীকে এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত তার মধ্যে যা কিছু সংঘটিত হবে তদসমূহকে ঐরূপভাবে দেখি, যেরূপ আমার হাত মুবারক উনার তালু মুবারক দেখে থাকি। সুবহানাল্লাহ।! (তাবারানী শরীফ, মিশকাত শরীফ, ফতহুল কবীর ১ম খন্ড পৃষ্ঠা ৩৪০) মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সমস্ত জগতের জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৭) অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রহমত হিসেবে সবখানে বিরাজমান। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বপ্রথম আমার নূর মুবারক সৃষ্টি করেছেন। অত:পর আমার নূর মুবারক থেকেই সমস্ত কায়িনাত সৃষ্টি করেছেন। অর্থাৎ “নূর মুবারক” হিসেবে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বত্র ব্যাপৃত।” আল্লামা হযরত ইমাম মুল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, ইমাম গাজ্জালী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আপনি যখন মসজিদে প্রবেশ করবেন তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সশ্রদ্ধ সালাম দিবেন। কারণ তিনি মসজিদসমূহে হাযির আছেন। সুবহানাল্লাহ! (মিরকাত শরীফ) মূল কথা হলো মহান আল্লাহ পাক তিনি জিসিম ও ছুরত এ দুটির কোনো একটি হিসেবে হাযির ও নাযির নন। বরং তিনি ছিফত অর্থাৎ ইলম ও কুদরত মুবারক উনার দ্বারা এবং ছিফত মিছালী ছুরত মুবারক হিসেবে কায়িনাতের সর্বত্র হাযির ও নাযির। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছিফত অর্থাৎ ইলম ও মু’জিযা শরীফ দ্বারা এবং ছিফত অর্থাৎ নূর ও রহমত হিসেবে কায়িনাতের সর্বত্র হাযির ও নাযির। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যেহেতু জিসিম ও ছূরত মুবারক রয়েছে, সেহেতু তিনি যে জিসিম মুবারকে পবিত্র রওযা শরীফ উনার মধ্যে অবস্থান মুবারক করছেন। উনার ইখতিয়ার ও ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তিনি সেই জিসিম মুবারক নিয়ে কোথাও হাযির হবেন না। সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের হযরত ইমাম-মুজতাহিদগণ উনারা এ বিষয়ে একমত যে, তিনি ঐ জিসিম মুবারক নিয়ে রওজা শরীফ থেকে উঠলে ক্বিয়ামত হয়ে যাবে। তাই তিনি উক্ত জিসিম মুবারক উনার অনুরুপ জিসিম মুবারক ও ছুরত মুবারক এবং মিছালী ছুরূত মুবারকে কায়িনাত মাঝে হাযির ও নাযির থাকেন, যে কারণে উনার আশিকগণ উনাকে স্বপ্নে, মুরাকাবা মুশাহাদার হালতে এমনকি জাগ্রত অবস্থায়ও দেখে থাকেন ও কথোপকথনও করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ! এটিই হচ্ছে সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদা।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, انما انا قاسم والله يعطى অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি হাদিয়া মুবারক করেন, আর নিশ্চয়ই আমি হলাম (উক্ত হাদিয়া মুবারক) বণ্টনকারী।” সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ) উল্লেখ্য, যিনি কুল মাখলুক্বাতের মাঝে নিয়ামত বণ্টনকারী; তিনি যদি কুল-মাখলুকাতের কাছে হাযির বা উপস্থিত না থাকেন এবং নাযির বা না দেখে থাকেন, তাহলে তিনি তাদের মাঝে কিভাবে নিয়ামত বণ্টন করবেন? কাজেই কায়িনাতের সমস্ত সৃষ্টির মাঝে তিনি যেহেতু নিয়ামত বণ্টনকারী, সেহেতু বলার অপেক্ষা রাখে না- সবকিছুই উনার নিকট হাযির ও নাযির। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এই পৃথিবীকে আমার চোখের সামনে এরূপভাবে রেখেছেন যে, আমি এ সমগ্র পৃথিবীকে এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত তার মধ্যে যা কিছু সংঘটিত হবে তদসমূহকে ঐরূপভাবে দেখি, যেরূপ আমার হাত মুবারক উনার তালু মুবারক দেখে থাকি। সুবহানাল্লাহ।! (তাবারানী শরীফ, মিশকাত শরীফ, ফতহুল কবীর ১ম খন্ড পৃষ্ঠা ৩৪০) মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সমস্ত জগতের জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৭) অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রহমত হিসেবে সবখানে বিরাজমান। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বপ্রথম আমার নূর মুবারক সৃষ্টি করেছেন। অত:পর আমার নূর মুবারক থেকেই সমস্ত কায়িনাত সৃষ্টি করেছেন। অর্থাৎ “নূর মুবারক” হিসেবে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বত্র ব্যাপৃত।” আল্লামা হযরত ইমাম মুল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, ইমাম গাজ্জালী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আপনি যখন মসজিদে প্রবেশ করবেন তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সশ্রদ্ধ সালাম দিবেন। কারণ তিনি মসজিদসমূহে হাযির আছেন। সুবহানাল্লাহ! (মিরকাত শরীফ) মূল কথা হলো মহান আল্লাহ পাক তিনি জিসিম ও ছুরত এ দুটির কোনো একটি হিসেবে হাযির ও নাযির নন। বরং তিনি ছিফত অর্থাৎ ইলম ও কুদরত মুবারক উনার দ্বারা এবং ছিফত মিছালী ছুরত মুবারক হিসেবে কায়িনাতের সর্বত্র হাযির ও নাযির। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছিফত অর্থাৎ ইলম ও মু’জিযা শরীফ দ্বারা এবং ছিফত অর্থাৎ নূর ও রহমত হিসেবে কায়িনাতের সর্বত্র হাযির ও নাযির। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যেহেতু জিসিম ও ছূরত মুবারক রয়েছে, সেহেতু তিনি যে জিসিম মুবারকে পবিত্র রওযা শরীফ উনার মধ্যে অবস্থান মুবারক করছেন। উনার ইখতিয়ার ও ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তিনি সেই জিসিম মুবারক নিয়ে কোথাও হাযির হবেন না। সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের হযরত ইমাম-মুজতাহিদগণ উনারা এ বিষয়ে একমত যে, তিনি ঐ জিসিম মুবারক নিয়ে রওজা শরীফ থেকে উঠলে ক্বিয়ামত হয়ে যাবে। তাই তিনি উক্ত জিসিম মুবারক উনার অনুরুপ জিসিম মুবারক ও ছুরত মুবারক এবং মিছালী ছুরূত মুবারকে কায়িনাত মাঝে হাযির ও নাযির থাকেন, যে কারণে উনার আশিকগণ উনাকে স্বপ্নে, মুরাকাবা মুশাহাদার হালতে এমনকি জাগ্রত অবস্থায়ও দেখে থাকেন ও কথোপকথনও করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ! এটিই হচ্ছে সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদা।

0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন